আমার হুজুরনি বৌ ৩

amar hujurni bou 3

লেখক: Nipa34

ক্যাটাগরি: গৃহবধূর যৌন কাহিনী

প্রকাশের সময়:18 Aug 2026

কাজল - ওমা ব্লেড দিয়ে সম্ভব না , একটু এদিক সেদিক হলেই কেটে যাবে ।

আমি - আরে কিছুই হয় না ।

কাজল - হে আমি জানি ব্লেড যে দাঁর একটা পোস লাগলে আমি শেষ।

আমি - আরে কিছু হয় না , আমরা সবাই কাটিতো ।

কাজল - তোমার ও এমন চুল আছে বুঝি ।

আমি - হে রে সবারি বয়স হলে এমন চুল হয় ।

কাজল - আম্মার ও কি এমন চুল আছে নাকি ।

আমি রাহিমার দিকে তাকিয়ে দেখি এখনো চোখ বন্ধ ও এখন কার কথা শুনে চোখের পাপরি গুলা ও লাল হয়ে গেছে , গাল গুলা দেখা যাচ্ছে না কারন রাহিমা হিজাব পরে আছে মুখ ডেকে ।

আমি - হে সবারি হয় ।

কাজল - তুমি ও কি ব্লেড দিয়ে চুল ফালাও ।

আমি - হে ।

কাজল - আম্মা ও কি ব্লেড দিয়ে চুল ফালায় ।

আমি - হে ।

কাজল - আমার তো ভয় করে ।

আমি - এক বার চেষ্টা কর দেখবি হয়ে যাবে ।

কাজল - আমি পারবো না তুমি মোসলমানি করো ।

আমি - আরে এই ভাবে এতো চুল থাকলে কি ভাবে মোসলমানি করবো ।

কাজল - আমি জানি না ।

আমি - ঐ তুমি কিছু বলো না কেনো ।

রাহিমা - আমি কি বলবো ।

আমি - তোমার বোকা ছেলেকে তুমি কি ভাবে বুঝাবে দেখো ।

রাহিমা - আমি কি বলবো বলো । তুমি মুসলমানি করো না , পরে তার টা সে বুঝে নিবে ।

আমি - আরে বুঝতেছো না তুমি , তুমি একবার ভালো করে চেয়ে দেখো তার বা… ।

রাহিমা - ঐ……

আমি - আরে তার চুলে পুরো ডেকে আছে দেখো তুমি , না কাটলে মুসলমানি করানো যাবে না ।

রাহিমা - আমি দেখে কি করবো , তুমি বুঝবে তুমি কি কি করবে ।

আমি - রাগ দেখাও কেনো ।

কাজল - আসলেই আম্মা আপনি রাগ দেখান কেনো , তার মানে আমাকে ছেলে হিসেবে মন থেকে মেনে নেননি ।

রাহিমা - আরে না তুই আমার আরেকটা ছেলে ।

আমি - আচ্ছা কাজল তুই তোর চুল গুলা কাট , সব ঠিক রাখলে কালকে বা ২দিন পর তোর মোসলমানি করে দিবো।

কাজল - আমি কি ভাবে কাটব আমি জানি না ।

আমি রাহিমার মুখের দিকে তাকিয়ে দেখি তার চোখ গুলা লজ্জায় ছোট হয়ে আছে ।

আমি - তুই একটা ব্লেড কিনে আনবি তার পর মাথার চুল কাটে না ঠিক সেই ভাবেই কেটে ফেলবি ।

কাজল - আমি পারবো না , আমি বুঝি না এইসব । আমার ভয় করে ।

আমি - তুইতো চিন্তায় ফালিয়ে দিলি এমন বোকা মানুষ দেখিনি জীবনে ।

রাহিমা - একটা কাজ করতে পারো তুমি ।

আমি - কি ।

রাহিমা - তুমি চাইলে কাচি দিয়ে ছোট করে তার পর মোসলমানি করতে পারবেন ।

আমি - এটা একটা সুন্দর কথা বলেছো তুমি ।

রাহিমা - তাহলে তুমি শুরু করো আমি রান্না বসাই গিয়ে ।

আমি - আজকে থাক, একটা কাজ করি সামনের শুক্রবার এই শুভ কাজ টা সম্পন্য করি ।

রাহিমা - হে এটা আরো ভালো হয় ।

আমি - তাহলে আমি এখন আসি , আমার মাদ্রাসায় আবার একটু কাজ আছে ।

আমি - ওকে জাও ,

রাহিমা - জাও আর এডভোকেটের সাথে কথা বলেছিলে ।

আমি - কেন ।

রাহিমা - আরে এভিডেবিট করার জন্য ।

আমি - ও হে ভালো কথা মনে করিয়েছো , আজকেই দেখি আমি করে আনতে পারি কি না ।

রাহিমা - আচ্ছা ঠিক আছে আমি তাহলে রান্না ঘড়ে গেলাম ।

আমি - আচ্ছা জাও । বলার পরেই রাহিমা রান্না ঘরের দিকে চলে যায় , আর আমি সব কিছু ঘুসাইতেছি ।

কাজল - বাবা আমি কি এখন চলে যাবো তাহলে ।

আমি - আচ্ছা যা , আর দুপুরে ও এখানে এসে খাস , তোর মা রান্না করতেছে ।

কাজল - আচ্ছা বাবা তাহলে আমি জাই ।

আমি - আচ্ছা যা , আর একটা কথা ।

কাজল - কি বাবা।

আমি - তোর নতুন নাম কি রাখবি চিন্তা করেছিস ।

কাজল - নতুন নাম মানে ।

আমি - আরে ধর্ম পালটাবি নাম পালটাতে হবে না ।

কাজল - আমি জানি না তোমরা যা ভালো মনে করো তাই ।

আমি - তুই তোর মায়ের সাথে কথা একটা নাম ঠিক করে নিস ।

কাজল - আচ্ছা ঠিক আছে । আমি কি এখন যাবো তাহলে ।

আমি - হে যা , আর দুপুরে খাবার সময় নাম ঠিক করে ফেলিস ।

কাজল - আচ্ছা ।

আমি - নাম ঠিক করে আমাকে একটা ফোন দিতে বলিস কি নাম রাখা হলো জানতে হবে , সে অনুজায়ি এভিডেবিটে নাম লিখতে হবে ।

কাজল - আচ্ছা । বলেই কাজল ছেলেটা চলে যায়, আসলেই কাজল ছেলেটা খুব লক্ষি , অনেক সহজ সরল । এর মধ্যে আমি ও রেডি হয়ে চলে যাবো এখন ।

আমি - শুনছো আমি চললাম গেইট লাগিয়ে দাও , আর দুপুরে কাজল আসবে খাবার খেতে তখন তার একটা নাম ঠিক করে রেখো ।

রাহিমা - কি নাম রাখবো ।

আমি - সুন্দর একটা নাম বাছাই করো তুমি ।

রাহিমা - তুমি ঠিক করে দাও না ।

আমি - আরে তোমার কাছে না সুন্দর নামের বই আছে , সেখান থেকে একটা নাম রেখে দাও ভালো দেখে।

রাহিমা - আচ্ছা ঠিক আছে ।

আমি - আর দুপুরে আমাকে ফোন বইলো কি নাম রাখলে ।

রাহিমা - আচ্ছা ঠিক আছে ।

আমি চলে গেলাম মাদ্রাসায় দুপুরে রাহিমার ফোন আসে ৩টার দিকে , কাজলের নতুন নাম রাখলো । কাজলের নতুন নাম হলো বেলাল হোসেন । আমি ও সেই অনুযায়ী কাগজ করে বাসায় যেতে যেতে ৯টা পার হয়ে গেছে , কারন আমি এশার নামাজ শেষ করে তার পর বাসায় যাই সব সময় । বাসায় গিয়ে রাহিমার মুখ থেকে দুপুরের কাহিনী শুনলাম ।

রাহিমা - জানো আজকে দুপুরে কি হয়েছে ।

আমি - কি হয়েছে ।

রাহিমা - আমি যখন ১২ঃ৩০ এর দিকে রান্না শেষ করে গোসল করতে গিয়েছিলাম ।

আমি - হে তো ।

রাহিমা - তার একটু পরেই বেলাল আসে আমিতো গোসল করতে ছিলাম আমি আর যানতাম না কাজল আসবে এই সময় ।

আমি - হে তো , গেইট তো বাহির থেকে লাগানোই ছিলো এর পর আবার বাসার দরজা ।

রাহিমা - হে বাহিরের গেইট বন্ধ ছিলো ঠিক আছে কিনতু দরজা খোলা ছিলো ।

আমি - বেলাল কে কি অনেক্ষন অপেক্ষা করতে হয়েছে নাকি ।

রাহিমা - আরে না কথা শুনো না ।

আমি - হে বলো ।

রাহিমা - বেলাল অনেক বার ডাক দিয়ে আমার কোন শব্দ না পেয়ে সে ভয় পেতে গিয়েছিলো।

আমি - হে তার পর ।

রাহিমা - তার পর সে মনে করেছিল আমি অসুস্থ হয়ে গেলাম নাকি এই ভয়ে সে এই দেয়াল টপকে বিতরে আসে ।

আমি - কি বলো ।

রাহিমা - হে কি বলবো বলো ।

আমি - তার পর কি হলো ।

রাহিমা - হটাত আমি বাহিরা আম্মা আম্মা ডাক শুনতে পাই, আমিতো ভয় পেয়ে যাই এতো কাছ থেকে আম্মা আম্মা কে ডাকতেছে ।

আমি - ওমা তার পর ।

রাহিমা - আমার ও গোসল প্রায় শেষ, এখন ডাক শুনতে পারছি না , তাই আমি গোসল খানা থেকে বাহির আর বাহিরে দেখেই আমি অবাক হয়ে যাই ।

আমি - কেন ।

রাহিমা - বাহিরে এসে দেখি কাজল বারান্দায় বসে আছে , আমিতো লজ্জায় পরে গেছি পুরো ।

আমি- কি হয়েছে ।

রাহিমা - আরে আমি শুধু জামা আর পায়জামা পরে ছিলাম ।

আমি - কি বলো ।

রাহিমা - হে ।

আমি - ওড়না ও ছিলো না ।

রাহিমা - ছিলো , তা ও আমি পুরো লজ্জায় পরে যাই ।

আমি -আচ্ছা থাক সেতো ছেলের মতই , কিছুই হবে না ।

রাহিমা - তাও আমার কেমন যেন অসস্তি লাগছে ।

আমি - আরে চিন্তা করো না , সেতো ছেলেই, আর তুমিতো আর ইচ্ছে করে এই ভাবে আসো নাই তাই না।

রাহিমা - হে তা ঠিক ।

আমি - তা আর চিন্তা করো না ।

রাহিমা - আচ্ছা ঠিক আছে ।

আমি - তার পর ।

রাহিমা - আমি জিজ্ঞাস করলাম এখানে কি করে আসলো বললো দেয়াল টপকে আসছে ।

আমি - ও আচ্ছা ।

রাহিমা - হে তার পর জিগ্যেস করলাম এমন কেন করলো , পরে বলতেছে আমার কোন শব্দ না পেয়ে সে ভয় পেয়ে গেছে তাই সে দেয়াল টপকে আসছে ।

আমি - আচ্ছা ছেলেটা সত্যিই তোমাকে তার মায়ের মর্যাদা দিয়ে দিছে ।

রাহিমা - হে তা ঠিক ।

আমি - হুম, আচ্ছা তার পর ।

রাহিমা - তার পর আর কি তাকে বললাম এখন খাবার দিবো নাকি ।

বেলাল - না আম্মা আপনার সাথে খাবো আমি ।

রাহিমা - আমিতো আরো দেরি করে খাবো ।

বেলাল- সমস্যা নেই আমি ও দেরি করেই খাবো ।

রাহিমা - আমি নামাজ পরবো তার পর খাবো ।

বেলাল - আম্মা তোমরা কি ভাবে নামাজ পরো আমি দেখতে চাই, আর আমি ও পরতে চাই ।

রাহিমা - আজকে না পরে আগে মুসলিম হ তার পর ।

বেলাল - আম্মা তুমি কিনতু অনেক সুন্দর ।

রাহিমা - তাই , আচ্ছা তুই এখানে বস আমি ড্রেস পরে আসি ।

বেলাল - তুমিতো ড্রেস পরেই আছো ।

রাহিমা - এর উপর এখন বোরকা ও হিজাব পরতে হবে ।

বেলাল - এতো কিছু পরে থাকতে তোমার গরম লাগে না ।

রাহিমা - নারে জাহান্নামের গরমের থেকে দুনিয়ার গরম অনেক ভালো ।

বেলাল - আচ্ছা ভালোতো তাহলে ।

রাহিমা - আচ্ছা তাহলে তুই বস আমি আসতেছি ।

বেলাল - আচ্ছা আম্মা একটা কথা ।

রাহিমা - কি কথা ।

বেলাল - রাগ করবে না কিনতু ।

রাহিমা - আচ্ছা ঠিক আছে রাগ করবো না ।

বেলাল - কথা দাও রাগ করবে না ।

রাহিমা - আচ্ছা কথা দিলাম রাগ করবো না ।

বেলাল - আচ্ছা আম্মা সত্যিই কি সবার নিচেই আমার মতো চুল থাকে ।

রাহিমা - হে বাবা এটা প্রাকৃতিক ।

বেলাল - বাবার ও কি আছে এমন।

রাহিমা - হে আছে ।

বেলাল - তোমার ও কি আমার মতো নিচে চুল আছে ।