রকি-র সেক্স অ্যাডভেঞ্চার – কামুক মা ও কুমারী মেয়ে - তৃতীয় পর্ব।

Rocky-r Sex Adventure - Kamuk Maa o Virgin Meye - 3

লেখক: Niladri Bose

ক্যাটাগরি: কুমারী মেয়ের যৌনতা

প্রকাশের সময়:11 Jul 2026

সকাল হতে না হতেই প্রিয়া ধরফরিয়ে উঠে বসলো। মাথায়ে হাত দিয়ে বসে ভাবতে লাগলো, কাল রাতের ওই সব দৃশ্য আসলে স্বপ্ন নাকি বাস্তব? তখন সবে ভোর ৬.৩০টা। প্রিয়া মায়ের ঘরের সামনে দাড়িয়ে রইল কিছুক্ষণ। আসতে করে দরজাটা খুলতেই প্রিয়া বুঝতে পারলো, কাল রাতের কোন ঘটনাই স্বপ্ন নয়। প্রায় উলঙ্গ হয়ে একপাস ফিরে শুয়ে আছে চৈতালি। এলোমেলো বিছানা, মেঝেতে পরে আছে রাতের অন্তর্বাস, ছেড়া নাইটি। চৈতালির বুকে পেটে কোমরের কালশিটে দাগ প্রিয়ার নজর এরাল না। কিন্তু প্রিয়া যাকে খুচ্ছে তার কোন চিহ্ন পেলনা ঘরে। প্রিয়া মনে মনে ভাবল, রাতেরই কোন এক সময় মায়ের শরীর ভোগ করে চলে গেছে রকি। সকালেই দুজনকেই হাতে নাতে ধরে নিজের মনোবাসনা পূর্ণ করার সুযোগ পেলনা প্রিয়া।

সকাল ৭.৩০ টার সময় চৈতালি কোন মতে টলতে টলতে যখন বাথরুমে গেল, প্রিয়া দৌড়ে ঢুকে পরল মায়ের ঘরে। অনেক খোঁজা খুঁজির পর প্রিয়া হাতে পেলো বাড়ির মেন-গেটের ডুপ্লিকেট চাবি। ঘর থেকে বেরিয়ে প্রিয়া শুনতে পেলো মায়ের স্নান করার আওয়াজ। একই সাথে রাগ, হিংসা ও লোভ চেপে ধরল প্রিয়াকে। অন্য কোন ছেলে নয়, দরকার পরলে মাকে ব্ল্যাকমেইল করে রকিকে দিয়েই নিজের যৌন খিদা মেটাবে, মনে মনে এমনই সংকল্প করে নিজের ঘরে ঢুকে গেল প্রিয়া।

সকাল ১০ টার সময় সকালের জল-খাবার খেতে খেতে প্রিয়া শুনতে পেলো মায়ের ফোনটা বেজে উঠেছে। চৈতালি ঘরে গিয়ে ফোনটা তুলেই ঘরের দরজাটা ভেজিয়ে দিল। প্রিয়া কান পেতে শুনতে পেলো মা কাকে যেন বলছে, “এখন কথা বলা যাবে না, মেয়ে ঘরে আছে। আমি পরে কল করবো”। প্রিয়ার আর বুঝতে বাকি রইল না মা কার সাথে কথা বলছে। কলেজে যাওয়ার আগে ব্যাগে ঢুকিয়ে নিল সেই ডুপ্লিকেট চাবি।

কলেজের মাত্র ২ টো ক্লাস করেই প্রিয়া বাড়ির উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পরল নিজের উদ্দেশ্য সাধনের জন্য। যত বাড়ির কাছাকাছি আসতে লাগলো, ততই প্রিয়ার বুকের ধুকপুকানি বাড়তে লাগলো। বাড়ির খুব কাছাকাছি এসে প্রিয়া দেখতে পেলো একটা ছেলে খুব তাড়াতাড়ি প্রিয়ার বাড়ির থেকে বেরিয়ে উল্টো দিকের বাড়িতে ঢুকে গেল। সেই ছেলেকে চিনতে ভুল হলনা প্রিয়ার, ছেলেটা রকিই বটে। বুক ভোরা হতাসা নিয়ে প্রিয়া বাড়ির কলিং বেল বাজাতেই কিছুক্ষণের মধ্যেই দরজা খুলল চৈতালি।

প্রিয়াকে দেখে চৈতালি একটু অবাক হয়ে প্রশ্ন করল – কিরে তুই এত তাড়াতাড়ি?

প্রিয়া – ক্লাস ক্যানসেল হয়ে গেল। আর শরীর খারাপ লাগছে একটু তাই চলে এলাম।

প্রিয়া লক্ষ্য করল ওর মা সেই প্রথম দিনের ঘামছে অঝোরে। সব বুঝতে পারলো প্রিয়া কিন্তু কিছু বলল না। ঘরে ঢুকতে ঢুকতে দেখল মায়ের ঘরের বিছানা। সেই রাতের মতো অগোছালো। সেই বিছানা দেখে প্রিয়ার মনের যৌন ঈর্ষা আরও তীব্র হয়ে উঠল। অপেক্ষা করতে লাগলো রাতের। কিন্তু রাতে রকি এলনা ওর মায়ের ঘরে। মায়ের দরজায় কান পাততেই প্রিয়া শুনতে পেলো, রকির সাথে অশ্লীল কথোপকথনে ব্যস্ত মা। আবার অপেক্ষা পরের দিনের জন্য।

পরের দিন সকালে প্রিয়া বাড়ি থেকে বেরল কলেজে যাচ্ছি বলে, কিন্তু কলেজে না গিয়ে বাড়ির সামনের বাস স্ট্যান্ডে অপেক্ষা করতে থাকল। টানা ১ ঘণ্টা অপেক্ষা করে বাড়ির দিকে রওনা দিল প্রিয়া। ব্যাগ থেকে ডুপ্লিকেট চাবি বার করে খুব সাবধানে দরজা খুলে ভেতরে গেল প্রিয়া।

বাড়িতে ঢুকে বুঝতে পারলো আজ সঠিক সময় এসেছে প্রিয়া। মায়ের ঘরের দরজার সামনে দাড়াতেই শুতে পেলো রকি ও মায়ের অশ্লীল হাসাহাসি। মোবাইলের ক্যামেরাটা অন করে প্রিয়া চালু করল ভিডিও রেকর্ডিং, কারণ প্রিয়া জানে মাকে ব্ল্যাকমেইল করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই। দরজাটা সামান্য ফাঁক করতেই প্রিয়া দেখতে পেলো দুজনকে। চৈতালিকে বিছানায় ফেলে ওর স্তন কচলাচ্ছে আর পাগলের মতো জড়িয়ে ধরে চুমু খাচ্ছে অর্ধ নগ্ন রকি। চৈতালিও রকির চুলের মুঠি ধরে একই ভাবে ঠোঁট চুষছে রকির। এইসব দেখে প্রিয়ার শরীর গরম হয়ে উঠল। কিন্তু শুধু দেখেই তো আর খিদা মিটবে না, তাই মোবাইলে রেকর্ডিং চালু রেখেই প্রিয়া দরজা খুলে ঢুকে গেল মায়ের ঘরে।

প্রিয়াকে দেখে আঁতকে উঠল রকি ও চৈতালি। হউস কোট গায়ে জড়িয়ে উঠে বসলো চৈতালি। কপালের ঘাম মুছতে মুছতে চৈতালি কাপা কাপা গলায় বলল – তুই এখন এখানে কি করছিস?

প্রিয়া – না এলে তো তোমাদের এই লীলা ধরতে পারতাম না। পরশু রাতেই আমি সব দেখেছি। কিন্তু কিছু বলার সাহস হয়নি। কালও আমি রকিদা কে বাড়ি থেকে বেরোতে দেখেছি।

চৈতালি – এইসব তুই কি উল্টোপাল্টা বলছিস?

প্রিয়া – আমি উল্টোপাল্টা বলছি? ঠিক আছে তাহলে এই ভিডিওটা বাবাকে পাঠাই তারপর দেখা যাবে কে উল্টোপাল্টা বলছে।

রকি – প্লিজ প্রিয়া এই রকম করোনা। একটু শান্ত হও।

চৈতালি ফুফিয়ে কেঁদে উঠল। রকি শান্ত করার চেষ্টা করল কিছুক্ষণ। কিন্তু কিছুতেই চৈতালিকে থামানো গেলনা। কিছুক্ষণ পর নিজেই হাপাতে হাপাতে বলে উঠল, “হ্যাঁ আমি ওকে ডেকে এনেছি। শুয়েছি ওর সাথে। জানতে চাস কেন শুয়েছি?” প্রিয়া জোর গলায় বলে উঠল, “হ্যাঁ, জানতে চাই। কি এমন হল যে তুমি একটা অল্প বয়সি ছেলের সাথে এইরকম সম্পর্কে গেলে?” চৈতালি চোখের জল পুছে বলতে লাগলো অমিতের সাথে ওর বৈবাহিক সম্পর্কের ইতিহাস। এমন অনেক কথা যা রকিও আগে শোনে নি।

সব কথা শুনে মায়ের জন্য প্রিয়ার মনে অনেক সহানুভূতি এলো, খারাপও লাগলো মায়ের জন্য। কিন্তু যদি মায়ের এই কথায় মন গলে যায় তাহলে প্রিয়ার কর্য সিদ্ধি হবে না। তাই প্রিয়া একটু গলা নরম করে বলল, “ঠিক আছে। আমি এই ভিডিও কাউকে দেখাব না কিন্তু আমার একটা সর্ত আছে”। চৈতালি চোখ পুছে বলল, “কী?”। কিছুক্ষণ চুপ থেকে প্রিয়া বলল, “আমিও রকির সাথে সেক্স করতে চাই”। চোখ কপালে উঠে গেল রকির। রকি মনে মনে ভাবল, এত মেঘ না চাইতেই জল। কিন্তু অপর দিকে, চৈতালি উঠে প্রিয়ার গালে এই চর মেড়ে বলল, “তুই কি পাগল হলি? বয়স কতো তোর? এত সাহস পেলি কোথা থেকে?” প্রিয়া গালে হাত দিয়ে দাড়িয়ে রইল কিছুক্ষণ। তারপর রক্তরাঙা চোখে মায়ের দিকে তাকিয়ে বলল, “তোমার কাছে শুধু আজকের দিনটা আছে। ঠিক করো কি করবে। হয় রকি না হয় অন্য কোন ছেলের সাথে আমি সেক্স করব নয়ত এই ভিডিও বাবার কাছে যাবে”

প্রিয়া ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে রকিয়ে বেরিয়ে পরল ওই বাড়ি থেকে। এই প্রথম রকি ভয় পেলো। সারা দিনটা রকির কাটল একটা চাপা আতঙ্কে। ঠিক বিকেল বেলায় চৈতালি ফোন করল রকিকে। রকি তাড়াতাড়ি ফোন তুলতেই…

চৈতালি – (ভারী গলায়) আমি তো কিচ্ছু বুঝতে পারছি না কি করবো। আমার মেয়ে যে এই ভাবে আমাকে হুমকি দেবে আমি কোন দিনও ভাবি নি।

রকি – ওর মাথা ঠাণ্ডা হলে সব ঠিক হয়ে যাবে।

চৈতালি – ও খুব একগুঁয়ে। যা বলে তাই করবেই। অনেক কষ্টে ওকে এই সব থেকে বাচিয়ে রেখেছিলাম। কিন্তু আজ একটা সুযোগ পেয়ে গেল স্বাধীন হওয়ার।

রকি – তাহলে ওর কথা শোনা ছাড়া আর কি কোন উপায় আছে? না শুনলে তোমার আর আমার দুজনেরই বিপদ।

চৈতালি – কিন্তু আমি মা হয়ে এটা কি ভাবে সহ্য করবো?

রকি – দেখ প্রিয়া এই যুগের মেয়ে। ও ঠিক নিজেকে সামলে রাখবে। শুধু দেখবে কোন ছেলের সাথে ও সেক্স করছে। খারাপ সঙ্গে যাতে না পরে।

চৈতালি – কোন ছেলে মানে? প্রিয়ার এই বয়সে আমি অন্য কোন ছেলের সাথে ওকে ছারতে পারব না। আপাতত ওকে শান্ত করার জন্য তোমাকেই এই কাজ করতে হবে।

রকি – এ কি বলছ তুমি? পাগল নাকি?

চৈতালি – আমি কিছু জানি না। এই কাজ তোমাকেই করতে হবে। আমার কাছে আর কোন উপায় নেই। যা হবে আমার চোখের সামনে। এখন রাখছি ফোন।

রকির মন নেচে উঠল উত্তেজনায়। এতটাও আশা করে নি রকি। যেন লটারি পেয়ে গেছে রকি। অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে লাগলো চৈতালির ফোনের। সন্ধ্যে ৭ টার সময় চৈতালির ফোন এলো। বেশি কথা হলনা দুজনের। রকি আজ রাতে আসতে পারবে কি না জানতে চেয়ে ফোন কেটে দিল চৈতালি। বলাই বাহুল্য যে রকি জাওয়ায় জন্য এক পায়ে রাজি।

চোরের মতো নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলো রকি, ফোন করে দরজা খুলতে বলল চৈতালিকে। সেই বাড়িতে ঢুকে রকি দেখতে পেলো, আজ আর লুকোচুরির কোন ব্যপার নেই। ডাইনিং-এ বসতে বলল রকিকে। বুকের ধুকপুকানি বেরেই চলেছে রকির, না জানি কি কথা হয়েছে মা মেয়ের। চৈতালি প্রিয়াকে ডাক দিল। রকি লক্ষ্য করল এখন সেই জেদি ভাবটা নেই প্রিয়ার মধ্যে, বরং একটু যেন লজ্জাই পাচ্ছে ও। প্রিয়া আসতেই……

চৈতালি – আমি কোনদিন ভাবিনি তুই আমাকে এই ভাবে ব্ল্যাকমেইল করবি। ঠিক আছে তুই যা বলেছিস তাই হবে কিন্তু আজই প্রথম আর আজই শেষ।

প্রিয়া – (চৈতালির উদ্দেশ্যে) ঠিক আছে তাই হবে। তুমি তাহলে এখন শুয়ে পরো।

চৈতালি – (জোর গলায়) না।

প্রিয়া – না মানে?

চৈতালি – তোকে যা করার আমার চোখের সামনে করতে হবে।

প্রিয়া – তুমি কি পাগল হলে? আমি কি ভাবে তোমার সামনে সেক্স করবো? আমার কি লজ্জা সরম নেই?

চৈতালি – কেন? নিজের মাকে সেক্স করতে দেখে লজ্জা লাগে নি? আমার এইটাই সর্ত। এই বার তুই ভেবে দেখ কি করবি।

প্রিয়া – ঠিক আছে তবে তাই হবে। কিন্তু…

চৈতালি – কোন কিন্তু নয়। আমার ঘরে গিয়ে বস। আমি যাচ্ছি।

রকি চেয়ে রয়েছে মা মেয়ের দিকে। মুখ থেকে কথা বেরোচ্ছে না ওর। প্রিয়া ঘরে যেতেই রকি বলে উঠল, “তুমি কি সত্যি পাগল হলে?” চৈতালি সঙ্কোচ না করে বলল, “আমি কিছুতেই ওকে একা ছারতে পারব না। ও এখনও কুমারী”। এক মা তার মেয়ের সতীত্ব অন্য এক ছেলের হাতে তুলে দেবে, এটা রকি কাছে যেন স্বপ্নের মতো।