পরের দিন লিপিকা স্কুলে গেলো কিন্তু তখনও নমিতা এসে পৌঁছায় নি ও যখন আসলো প্রার্থনার সময়ে হয়ে গেছে তাই লিপিকা প্রার্থনা করতে চলে গেল। নমিতা লিপিকার মুখ দেখে বুঝতে পারলো বড় কিছু একটা ও বলতে চায় কিন্তু এখন সময়ে নেই তাই নমিতা লিপিকার কানে বললো টিফিন এর সময়ে স্কুলের পিছনে যাবো তখন বলবি এখন কেউ কিছু শুনলে চাপের হবে। টিফিনের ঘন্টা বাজলে নমিতা আর লিপিকা টিফিন নিয়ে স্কুলের পিছন দিকে গেলো ওই দিক টা একটু ফাঁকা ওই দিকে গাছে ভরা স্কুলের ছেলেরা গাছের ওপর লাফালাফি করে মাঝে মধ্যে স্যার এসে সবাই কে পিটিয়ে তারায় ওরা কিন্তু ওই দিকে না গিয়ে ফাঁকা জায়গায় একটা কোণে একটা পুরোনো সিমেন্টের একটা পাইপ রাখা পাইপটার আকার বেশ বড় তারা ঐ পাইপটার উপর দিয়ে বসলো যাতে ওদের সবাই দেখতে পারে আর ওরা সবাইকে ফলে কেউ ওদের এই কথাবার্তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করবে না। নমিতা লিপিকাকে কথাগুলো বলতে বলল লিপিকা একটা গভীর নিঃশ্বাস নিয়ে আস্তে আস্তে সমস্ত গল্পটা নমিতাকে বলল শুধু ওটা যে অমিতদা ওটা চেপে গেল। টিফিন খেতে খেতে পুরো কথাটা নমিতা সং আর একটা মুচকি হাসি দিন বলল এই সামান্য কথা নিয়ে তুই কাল সারারাত ধরে অস্থির হয়ে ছিলি লিপিকা ওর মুখের দিকে চেয়ে রইল নমিতা বলল তোকে অনেক কিছু বলার আছে কিন্তু এখানে সেটা বলা যাবে না তুই এক কাজ কর আজ তো কোন টিউশন নেই তুই বাড়ি ফিরে ফ্রেশ হয়ে আমার বাড়ি চলে আয় আর তোর মাকে আসার সময় বলে বলবি তুই আজ আমার বাড়িতে থাকবি কারণ কাল তো স্কুল বন্ধ তাই আজকে রাত থেকে গেলে কোন ব্যাপার না এমনিও আমার বাড়িতে আজ কেউ নেই মার ফিরতে ফিরতে সেই অনেক রাত হবে তুই থাকলে আমার মা ও কম চিন্তা করবে। লিপিকা বললো ঠিক আছে ওরা তারপর মন দিয়ে ক্লাস করলো। লিপিকা বাড়ি ফিরে মা কে নমিতা এর বাড়ি যাবার কথা বললো ওরা মা রাজি হলো বললো রাতে পরার জন্য যেনো একটা নাইটি নিয়ে যায় আর ওখানে গিয়ে যেনো ফোন করে দেয়। লিপিকা সব কিছু গুছিয়ে ধীরে ধীরে বাড়ি থেকে সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে গেলো।