ফুটবল মাঠে তিক্ত সম্পর্কের সূচনা, '৮৬ র ফিফা বিশ্বকাপে মারাদোনার hand of God থেকে, যে বিষফোঁড়াকে আরও পাকিয়েতোলে, '৯৮ এ বিশ্ব ফুটবলের শ্রেষ্ঠমঞ্চে বেকহ্যামের লালকার্ড দর্শন ও প্রস্থান, আর্জেন্টিনার সঙ্গে ঐ ম্যাচে ইংল্যান্ডের হার, যা ঠিক পরবর্তী বিশ্বকাপ ২০০২ এ, খেলায় পাওয়া পেনাল্টির সুযোগকে সজোরে আর্জেন্টিনার জালে জড়িয়ে, বিপক্ষকে তাঁরই করা একমাত্র গোলে পরাজিতকরে যেন শাপমুক্ত হন বেকহ্যাম, তা তো সকলেই অল্পবিস্তর জানি কিন্তু সম্বন্ধের তেতোস্বাদ কি আর অতোসহজে মেটে বন্ধু !? হাঃ হাঃ তাই যথারীতি এবার, '২৬ এ বিশ্ব ফুটবলের ত্রিদেশীয় আয়োজিত আসরের সেমি ফাইনাল-সমরে history repeated itself once again, মুখোমুখি ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা আরও একবার এবং রক্তচাপ বাড়িয়েতোলা, electrifying পরিবেশ যা, playground, gallery, stadium এর বহিরাংশ সহ সংশ্লিষ্ট সর্বত্রই বারুদ-উপাদানে যথাপ্রস্তুত ছিলো, যাতে আগুনের প্রথম ফুলকি ছুঁড়েদিলো গাঢ় নীল-কালো ২৪ নম্বর জার্সিধারীর বিশ্বমানের গোওওওল, ম্যাচের ৮৫ মিনিটে ও ইংরেজ বারপোস্টে লেগে ফিরেআসা বল, আবারও একবার, ৩৯ বর্ষীয় মেসি-মেজিকে ব্রিটিশ গোলমুখে সাজিয়েদেওয়া শেষ মওকাকে, খেলার ৯০ মিঃ অতিক্রান্ত প্রায় দমবন্ধকরা ২ মিঃ স্টপেজটাইমে, Argentine অ্যাওয়েপোশাকী ২২ নং ফুটবলার অসাধারণ যেন ঐশ্বরিক হেডে clinical finish করে, দ্বিতীয় সেমি ফাইনালের ৫৫ মিনিটে ১০ নম্বর ইংরেজ জার্সিপরা খেলোয়াড়ের একখানা গোলে এগিয়েথেকে, ব্যবধান বজায়রেখে, ৬০ বছর পর পুনরায় বিশ্বকাপ ফাইনালে যাওয়ার সুনিশ্চিত স্বপ্নকে দাউদাউকরে জ্বালিয়েপুড়িয়ে এদফায় ছারখার করেদিলেন ২-১ ফলাফলে, যা হয়তো পরের কোনও World Cup এ দু'দলের রোমহর্ষক, nail biting প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ইন্ধন জুগিয়েরাখলো এখনথেকেই যদিও খেলায় হারজিৎ থাকে ! এজন্যই বোধহয় এ প্রতিযোগিতাকে the greatest show on the Earth ভূষণে অভিহিত করাহয় ! শিরোপা-নির্ধারক ম্যাচে স্পেন-আর্জেন্টিনা উভয় দলের সমর্থকদেরই শুভেচ্ছা !