কাজল – এইযে এই কারনেই আমার ভালো লাগে না আপনি আমার আম্মা মা আর ছেলের মধ্যে কি এমন কথা আপনি বলতে পারবেন না। রাহিমা – আরে রাগ করস কেনো খাতনা হলো মুসলমানি । কাজল – ওওও কি বলেন আম্মা আমি এই বয়সে এসে খাতনা করাবো , এটা সম্ভব না । রাহিমা – আরে এটা কোন বিষয় না কিছু হবে না তুই তর আম্মার কথা রাখবি না । কাজল – আচ্ছা ঠিক আছে আমি বেবে দেখি কাটবো কি না । রাহিমা – দেখি না তুই আমাকে মা মনে করলে করতেই হবে । কাজল – না আম্মা এমনিতেই আমারটা ছোট কেটে দিলে আরো ছোট হয়ে যাবে । রাহিমা – আরে বোকা ছেলে বাচ্ছাদের মতো করে দেখি সামনে থেকে একটু চামড়া কাটবে আর কিছু না । কাজল – চামরা কাটলেইতো ছোট হয়ে যাবে । রাহিমা আর কি ভাবে বুঝাবে খুজে না পেয়ে বলে আচ্ছা তর সাথে রাতে কথা হবে ৯টার দিকে আসবি । কাজল – এতো রাতে কেনো । রাহিমা – আরে তর বাবাকে সব কিছু বলতে হবে না । কাজল – আচ্ছা ঠিক আছে । এর পর কাজল চলে যায় আমি যোহরের নামাজ পরে বাসায় আসার পরেই রাহিমা আমাকে জরিয়ে দরে সব কথা বলে আজকে সে অনেক খুসি । এর পর রাতে এশারের পর কাজল গেটে এসে ডাক দেয় আমি গিয়ে দরজা খুলে দেই কাজল বিতরে আসার পর আমি আর কাজল এক সাথে খাবার খেতে বসি । আমি - কিরে কাজল তুই নাকি আমাদের ধর্মে আসবি । কাজল - আসবো স্যার কিনতু আপনাদের আগে আমাকে ছেলের অধিকার দিতে হবে । আমি - রাহিমা নাকি তকে অধিকার দিয়ে দিয়েছে । কাজল - আপনি বাকি আছেন এখোন। আমি - রাহিমার কথাই আমার কথা । কাজল - তাহলে আমি আপনাকে আব্বা বলি । আমি - আচ্ছা বল । কাজল - আমাকে কিনতু ছেলের মতো দেখতে হবে না দেখলে আমি আপনাদের ধর্মে যাবো না । আমি - আচ্ছারে বাবা আচ্ছা এখন কবে আসবি আমাদের ধর্মে । কাজল - কিছু দিনতো সময় লাগবে কিছু কাগজ নাকি করতে হবে আবার খাতনা নাকি করতে হবে । আমি - আরে এই গুলা তুই চাইলে কালকেই হয়ে যাবে । কাজল - না আমি কিছু দিন সময় নিতে চাই , আর আমি চাই খাতনা আমি করবো না । আমি - আরে খাতনা কেনো করবি না । রাহিমা - আরে তার নাকি ছোট হয়ে যাবে তাই করবে না । আমি - হাহাহা তুই কি বোকা নাকি তোর ঐটা কাটবে না শুধু সামনের পর্দা কাটা হবে আর কিছু না । কাজল - পর্দা কাটলেই ছোট হয়ে যাবে । আমি - আরে হবে না আমি করেছি না , আর একসময় আমি নিজেই মানুষের ঘুলা কেটে দিয়েছি অনেক এখনতো ছেরে দিছি এই কাজ । কাজল - তার পরে ও আমি এই বয়সে এই কাজ করতে পারবো না আমার শরম করে। আমি - আরে আমরা ডাক্তার কাছে যাবো তারা কেটে দিবে তুই বুজতে ও পারবি না কিছু এর পর ৫-৬ দিন রেস্টে থাকলেই হয়ে যাবে ঠিক । কাজল - আমি ডাক্তার কাছে যাবো না । আমি - তাহলে কাটবি কি করে । কাজল - কাটলে আপনারা দুই জন আমার সব কিছু আপনারা দুই জনেই কেটে দিবেন আমি বাহিরে পেন্ট খুলতে পারবো না । আমি - আরে আমি যখন কাটছি তখনতো অনেক বেথা হতো এখন অনেক ওষুধ বাহির হয়েছে যা আমি জানি না, কষ্ট হবে বেশি তর । কাজল - হলে হবে আপনারা দুই জন আমার মা বাবা সব আপনারা দুই জনেই কেটে দিবেন অন্য কেও বেশি কেটে ফেলবে । রাহিমা - আচ্ছা ঠিক আছে তোর বাবাই কেটে দিবে । কাজল - সাথে মা আপনাকে ও থাকতে হবে । রাহিমা - এটা কি ভাবে সম্বভ আমি থেকে কি করবো । আমি - আচ্ছা ঠিক আছে তাই হবে তাহলে কালকেই কেটে দেই । কাজল - আচ্ছা ঠিক আছে । এর পর খাবার খেয়ে কাজল চলে যেতে চায় আমি আর দেই না আমাদের পাশের রুমেই থাকতে দেই তাকে । রাহিমা - আচ্ছা কাজল ছেলে কি পাগল নাকি । আমি কি করে থাকবো তার সামনে যখন সে মুসলমানি করাবে । আমি - আরে থাক তাতে কি হয়েছে ধর্ম প্রচার করার জন্য কতো কষ্ট করেছে আগের মানুষ এখন আমাদের এটা কোন কষ্ট হলো । রাহিমা - তা ও ঠিক ।
এর পর ঘুমিয়ে যাই সকালে আমি ফজর নামাজের পরেই আমি মুসলমানি করার জিনিস কিনতে চলে যাই আজকে মুসলমানি করিয়ে তার পর মাদ্রাসায় যাবো । ৯টার দিকে বাসায় আসি এসে দেখি রাহিমা রান্না করতেছে আর পাশে বসেই কাজল কথা বলতেছিলো । কাজলকে নতুন আনা পরিস্কার একটা লুঙ্গি দেই পরার জন্য কাজল পরে নেয় আমি কাজল কে নিয়ে বারান্দায় আসি আর কাটার জন্য প্রস্তুতি নেই ।
কাজল - আম্মা আসেন না কেনো আপনি । রাহিমা - আসতেছি বাবা তুই করতে থাক । কাজল - না আম্মা আপনি না আসা অব্দি করবো না , আমি করতেছি আপনার জন্য আপনি না থাকলে আমি কিছুই করবো না । রাহিমা - আচ্ছা বাবা আসতেছি । কাজল - বাবা ছোট হয়ে যাবে নাতো আবার । আমি - আরে না ছোট হবে না, অনেকের আরো বড়ো হয় । কাজল - কাটলে আবার বড়ো হয় কি ভাবে । আমি - গাছের আগা কেটে দিলে দেখস না , আগের থেকে আরো অনেক বড়ো হয় । কাজল - হে । আমি - এটা ঐরকম কেটে দিলে আগের থেকে বেশি বড়ো হয় অনেকের । কাজল - আমার কিনতু অনেক ভয় করতেছে , আমার কিনতু এমনিতেই ছোট । আমি - কি বলিস কতো টুকু তোর । কাজল - অনেক ছোট । আমি - কই দেখিতো । কাজল - আমার সরম করতেছে । আমি - আরে কাটার সময় তো আমি দেখবই দেখা সমস্যা নেই । কাজল - তাহলে আম্মা আসুক তার পর । আমি - কোথায় তুমি আসোনা কেনো । রাহিমা - আসতেছি ওয়েট । আমি - আরে তারা তারি আসো তোমার ছেলেতো মা বলতে অগ্যান । রাহিমা - আসতেছি বাবা আসতেছি । আমি - আসছো তুমি , দেখো কাজল কি বলে তার নাকি ছোট তাকে জিগ্যেস করলাম কতো ছোট দেখা , সে বলতেছে তুমি না আসলে সে দেখাবে না । রাহিমা - আরে আমি দেখা আর তোর বাবা দেখা একি বিষয় । কাজল - একি বিষয় না , আমি জীবনে ও মা কে দেখিনি , এই বয়সে এসে মাকে পেয়েছি তাই মাকে ছাড়া ভালো লাগে না । রাহিমা - এইযে আমি এসে পরেছি এখন তুমি কাজ শুরু করো । আমি - লুঙ্গি উপড়ে তোল কাজল । কাজল - আম্মা তুমি পিছনে কেনো সামনে এসে বসো তুমি দেখবে । রাহিমা - আমি সামনে বসে কি করবো । কাজল - তুমি সামনে না বসলে বাবা বেশি কেটে ফেলবে । রাহিমা - হাহাহা কাটবে না বোকা । কাজল - তা ও তুমি সামনে আসো । আমি - আরে আসো সমস্যা নেই এখানে বসো । আমার পাসে আরেকটা পিরি দেই আমি কাজল কে বসার জন্য । রাহিমা পাসে বসে । তখন আমি কাজল কে লুঙ্গি উপড়ে তুলতে বলি । কাজল আসতে আসতে লুঙ্গি উপড়ে তুলে তার নুনু দেখে আমি অভাক । আসলেই তার বয়স অনুজায়ি তার বাড়ার সাইজ অনেক ছোট । নরম হয়ে আছে , একদম বাচ্চাদের নুনুর মতো ১০ - ১২ বছরের ছেলেদের মতো । আর বালে বরা । রাহিমার দিকে তাকিয়ে দেখি চোখ বন্ধ করে আছে তার মানে রাহিমা দেখতে চাচ্ছে না । আসলেই অনেক লাজুক একটা বউ পেয়েছি আমি । আমি - কিরে কাজল তুই কি কাটিস না । কাজল - না । আমি - কেন । কাজল - আমাদের ধর্মে কাটে না । আমি - আরে তোর নুনু না , নুনুর পাসের চুল গুলা । কাজল - এগুলা কাটে নাকি কেও । এই কথা শুনে রাহিমা একটু তাকায় দেখেই অবাক হয়ে আবার চোখ বন্ধ করে ফেলে । আমি - আরে হে এগুলা কাটতে হয় নয়তো অনেক রোগ হয় । কাজল - কাটব কী ভাবে । আমি - তুই কি সত্যিই কাটস নাই কোন দিন । কাজল - নাতো , এই চুল কোন সেলুনে কাটবো । আমি - দেখো রাহিমা বোকায় কি বলে । রাহিমা - হে শুনলাম । আমি - বলো এই বোকাকে নিয়ে কোথায় যাবো । কাজল - কি ভাবে কাটে এই চুল। আমি - ব্লেড দিয়ে । কাজল - ওমা ব্লেড দিয়ে সম্ভব না , একটু এদিক সেদিক হলেই কেটে যাবে । আমি - আরে কিছুই হয় না । কাজল - হে আমি জানি ব্লেড যে দাঁর একটা পোস লাগলে আমি শেষ। আমি - আরে কিছু হয় না , আমরা সবাই কাটিতো । কাজল - তোমার ও এমন চুল আছে বুঝি । আমি - হে রে সবারি বয়স হলে এমন চুল হয় । কাজল - আম্মার ও কি এমন চুল আছে নাকি । আমি রাহিমার দিকে তাকিয়ে দেখি এখনো চোখ বন্ধ ও এখন কার কথা শুনে চোখের পাপরি গুলা ও লাল হয়ে গেছে , গাল গুলা দেখা যাচ্ছে না কারন রাহিমা হিজাব পরে আছে মুখ ডেকে । আমি - হে সবারি হয় । কাজল - তুমি ও কি ব্লেড দিয়ে চুল ফালাও । আমি - হে । কাজল - আম্মা ও কি ব্লেড দিয়ে চুল ফালায় । আমি - হে । কাজল - আমার তো ভয় করে । আমি - এক বার চেষ্টা কর দেখবি হয়ে যাবে । কাজল - আমি পারবো না তুমি মোসলমানি করো । আমি - আরে এই ভাবে এতো চুল থাকলে কি ভাবে মোসলমানি করবো । কাজল - আমি জানি না । আমি - ঐ তুমি কিছু বলো না কেনো । রাহিমা - আমি কি বলবো । আমি - তোমার বোকা ছেলেকে তুমি কি ভাবে বুঝাবে দেখো । গল্পটি কেমন লাগলো অবশ্যই সবাই কমেন্ট করে জানাবেন ।