স্বীকারোক্তি

sbiikarokti

মেয়ের বান্ধবীর সাথে বাবার নির্লজ্জ রমনের এক গল্পঃ

পড়তে থাকুন

আর আমায় ফলো করে নিন

ধন্যবাদ

সবাই কে

লেখক: Siddarth

ক্যাটাগরি: কুমারী মেয়ের যৌনতা

সিরিজ: স্বীকারোক্তি!🔞

প্রকাশের সময়:30 Oct 2026

একটা অদ্ভুত অনুভূতি নিয়ে ঘুমটা কেন জানি ভেঙে গেলো আমার. কিছু যেন ঘটছে আমার সাথে. ঘুম ভাঙতে মাথাটা এদিক ওদিক করতেই চোখ খুলে গেলো আমার. এখনো যেন কেমন অস্বচ্ছ লাগছে একটু. হয়তো ঘুমের কারণে. ঘর আলোকিত,টেবিল ল্যাম্প টা জ্বলছে… কিন্তু আমিতো অফ করেই শুয়েছি. সেই আলোতেই দেখলাম হুট্ করে কে যেন সরে গেলো. তবে যা দেখার আমি দেখে ফেলেছি ততক্ষনে. স্নেহা!! পালাতে যাচ্ছিলো কিন্তু সেও দেখে ফেলেছে যে আমি তাকে দেখে ফেলেছি. দরজার কাছেই দাঁড়িয়ে রইলো সে. কয়েক মুহূর্তের জন্য সেও থতমত হয়ে দাঁড়িয়ে গেলো. এতো রাতে স্নেহা কি করছে আমার ঘরে? আর চাদরটা এভাবে আমার গা থেকে সরানো কেন?

নিজের পায়ের দিকে চোখ যেতেই পায়ের আগেই একটা জায়গায় চোখ আটকে গেলো আমার. আমার গোপনঙ্গটা প্যান্টের বাইরে!! আর সেটা সম্পূর্ণ দণ্ডয়মান. শুধু তাই নয়… সেটার চারিদিক ভিজে ভিজে. আমার চোখ ছানাবড়া হয়ে গেলো. আমি সেই দৃষ্টিতেই তাকালাম স্নেহার দিকে. তারমানে ঘুমের মধ্যে যে আমার মনে হচ্ছিলো আমার সাথে কিছু ঘটছে সেটা আসলে…….. ওহ মাই….!!! আমি একবার ঘুরে তাকালাম বাঁ দিকে. স্ত্রী ঘুমিয়ে কাদা. আমি আবার তাকালাম স্নেহার দিকে. সেও বুঝে গেছে যে দেরী হয়ে গেছে. তার পালিয়ে যাবার আগেই আমি তাকে দেখে ফেলেছি.

***************************

কিন্তু একি!! ও ঐভাবে মুচকি হাসছে কেন? ওর কি ভয় করছেনা? লজ্জা করছে না? নিজের বান্ধবীর বাবার সাথে এমন একটা জঘন্য কাজ করেও ঠোঁটে আঙ্গুল চেপে ধরে হাসছে সে!! আমি কি করবো? কি বলবো কিচ্ছু বুঝতেই পারছিনা. কি করা উচিত আমার? ওকে খুব করে বকা দেবো? ওর বাবা মায়ের সাথে কথা বলার ভয় দেখাবো? কি করবো এখন আমি? আমি কিছু ভেবে ওঠার আগেই দেখি সে আবারো এগিয়ে আসছে আমার কাছে. হয়তো লুকোনোর আর কোনো কিছুই নেই দেখে সে সাহসী হয়ে উঠেছে.

ও যে একেবারে আমার বিছানার সামনে চলে এলো. আমি ইশারায় ওকে ‘এসব কি করছিলে’ জিজ্ঞেস করাতে ওর মুখে দেখি একটা দুস্টু হাসি হেসে আমার সামনে ঝুঁকে ঠোঁটে আঙ্গুল ঠেকিয়ে ইশারায় আমায় চুপ থাকতে বললো আর তারপরেই…… তারপরেই ও যেটা করলো সেটা দেখে আমি আবারো চমকে উঠলাম!! ওর ডান হাত আবারো মুঠোয় নিলো আমার ঐটা!! আমি অবাক…. কি সাহস!! এতো অস্পর্ধা এইটুকু মেয়ের!! বাবার বয়সী বান্ধবীর বাবার গোপন স্থানে হাত দিচ্ছে. চোখে মুখে কোনো অনুতাপ নেই, বরং একটা দুস্টুমি. ছোটদের দুস্টুমি কিছু ক্ষেত্রে বড়োরা মেনে নেয়… কিন্তু এই দুস্টুমি যে ভয়ঙ্কর!

****************************

আমি উঠতে যাচ্ছিলাম কিন্তু স্নেহা আমার ঐটা খুব জোরে চেপে ধরে অন্যহাত দিয়ে আমার বুকে চাপ দিয়ে আবার আমায় শুইয়ে দিলো. আশ্চর্য ব্যাপার…. ছয় ফুটের হাটকাট্টা লোক আমি, ব্যায়াম এখনো চালিয়ে যাই. শরীর আজও আমার গর্ব. আর সেই আমাকেই কিনা একটা পুচকে আজকের মেয়ে আবারো শুইয়ে দিলো. ওর হাতে কি অনেক জোর? মোটেই না…… আমার মেয়েই মতোই তো সে. তাহলে কিকরে এক হাতের চাপে আমি শুইয়ে পড়লাম?

জানিনা… বুঝলাম না কিচ্ছু কিন্তু আমার চোখ দেখছে এক ভয়ঙ্কর দৃশ্য. আমার মেয়ের প্রিয় বান্ধবী…… নিজের শরীরটা নিয়ে গেলো আমার পায়ের কাছে. কিছুটা বিছানায় উঠে এলো সে. ঝুঁকে নিজের শরীরটা নিয়ে গেলো আমার তলপেটের কাছে. আমি তো অবাক….. যেন তোয়াক্কাই করছেনা আমাকে. যেন একটুও ভয় লাগছেনা আমাকে. আমার অস্তিত্বই যেন গুরুত্বপূর্ণ নয় ওর কাছে.

**************************

না…. না… এটা হতে পারেনা…… আমার চোখের সামনে এই মেয়েটা সেই চরম কাজটা করে ফেললো. ওর মুখে হারিয়ে গেলো আমার গোপনঙ্গের মাথাটা. আহ্হ্হঃ শিহরণ খেলছে শরীরে… অনুভব করেও আর এটা ভেবেও যে একটু আগে ঘুমন্ত অবস্থাতেও সে আমার সাথে এটাই করছিলো!

আমার শরীর যেন অবশ হয়ে গেছে. আমি শুধুই দেখে চলেছি এই যৌবনের দিকে পা বাড়ানো সদ্য বড়ো হতে থাকা মেয়েটা কিভাবে নিজের বান্ধবী কে ঠকিয়ে তারই বাবার ঐটা চুষছে. আঃহ্হ্হঃ কি সুখ!! ওর ঠোঁটের ওঠা নামা, মুখের গরম লালা এই দৃশ্য উফফফফফ অবর্ণনীয়.

কিন্তু না!! নানা!! এসব…. এসব খুব ভুল!! পাপ!! উঠে বসে ওর মাথাটা টেনে সরিয়ে রাগী রাগী দৃষ্টিতে তাকালাম ওর দিকে. কিন্তু একটুও ভয় পেলো বলে তো মনে হলোনা আমার বরং আমার এই রাগী রূপ যেন দেখে খুশি হলো সে. মুখে এখনো সেই শয়তানি হাসি. মেয়েটাকে না জানি কতবার দেখেছি. আজকে এসেছিলো দুই বান্ধবী একসাথে থাকবে বলে

****************************

এর আগে আমার মেয়েও থেকেছে ওদের বাড়িতে. তাছাড়া এই মেয়েটা কতবার এসেছে আমাদের বাড়িতে. বেশ কাছেই ওর বাড়ি. ধোনি পরিবারের আদুরে মেয়ে সেটা জানি. আমার কন্যার সাথে এক স্কুলে…… আর তার থেকেও বড়ো কথা অনেক ছোট্ট বয়সেও ওকে কয়েকবার দেখেছি. স্কুলে আমার মেয়ের হাত ধরে ঢুকতো আর আজ সে কিনা সেই বান্ধবীর বাবার সাথেই!!

এখনো তাকিয়ে আমার দিকে. সেই ছোটবেলার মুখটা যেন একই আছে শুধু কিছু যেন বদলে গেছে তাতে. শরীর বড়ো হয়েছে….. আরও বৃদ্ধি পাবে কিন্তু সেই নিষ্পাপ মুখটা যেন আজ থেকেও নেই. বেশ সুন্দরী হয়েছে সে দেখতে… এখনো বাড়ার বয়স হয়তো আরও পাগল করা রূপ হবে তার যা দেখে আজকালকার যুবকরা একে নিজের প্রেমিকা রূপে পেতে চাইবে কিন্তু সেসব তো পরের কথা, তার আগেই এই মেয়ে যাসব করছে তাতো ভয়ানক!

***********************,***

হটাৎ করে উঠে আমার গালে একটা চুমু খেয়ে আমার পাশে বসে আমায় জড়িয়ে ধরলো স্নেহা. আমি চট করে আরেকবার ঘুমন্ত স্ত্রীকে দেখে নিয়ে ওকে জিজ্ঞাসা করলাম ধীর কণ্ঠে এসব কি? কোনো উত্তর দিলো না সে… শুধুই সেই দুস্টু হাসি আর আবারো গালে চুমু. আমার রাগ কি কমে গেছে ওর প্রতি? নইলে ও যে আবার হামাগুড়ি দিয়ে আমার পায়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে দেখেও কেন প্রতিবাদ করতে পারছিনা?

আহ্হ্হঃ এ যে দেখি আবারো নিজের নোংরামী শুরু করলো সে. আমি আটকাতে চেয়েও পারছিনা. আবারো যেন অবশ আমি. সে এদিকে কাকুর ওই গোপন জিনিসটা মুখে পুরে টানছে. আমার ওতো বড়ো জিনিসটা মুখে পোড়ার মতো ক্ষমতা এখনো হয়নি কিন্তু যে ক্ষমতা এই বয়সেই প্রাপ্ত করেছে তা সাংঘাতিক! আমার ওই মুন্ডিটা শুধু চুষছে না…. জোরে জোরে জিভ বোলাচ্ছে ওটাতে. আমার দন্ডটা কেঁপে কেঁপে উঠছে, সাথে আমিও. সেটা দেখে কি হাসি তার. মুখে হাত দিয়ে আমায় দেখে হাসছে. যেন কত মজার জিনিস. তারপরে আবারো যতটা সম্ভব মুখে নিয়ে মাথা ওপর নিচ করছে

**************************

মনে পড়লো একবার অনেক আগে নিজের মেয়েকে আনতে গিয়ে দেখি এরা দুজন দাঁড়িয়ে স্কুলের গেটের সামনে. কাছে যেতেই রুমকি আমার কাছে এসে হাত ধরে নিলো. তারপরে বললো – জানো বাপি… ওর কেউ আসেনি এখনো.. ওর ভয় করছে. আমি সেদিন ওকে বলেছিলাম – চলো.. তোমায় আমি নিয়ে যাচ্ছি. কিন্তু তখনি ওর মা নাকি বাবা… বোধহয় মা-ই হবে এসেছিলো ওকে নিতে. সেইদিন যে মেয়ে প্যারেন্ট এর দেরিতে ভয় পেয়ে গেছিলো…. আজ সেই এত বড়ো একটা কাজ করে ফেললো!!

আহ্হ্হঃ ওর ওই কোমল হাতটা কিভাবে আমার ঐটার গায়ে লেপ্টে রয়েছে. ও দেখছি সব জানে… কিভাবে ওটা ধরে ওপর নিচ করছে দেখো!! আহ্হ্হঃ তারওপর আবার ওই মুখের ভেতর আমার যৌনঙ্গের মাথা ঢোকানো. আহ্হ্হঃ এ এক অদ্ভুত অনুভূতি, এক অদ্ভুত পরিস্থিতি. আবারো তাকালাম বৌয়ের দিকে. সে ওপাশ ফিরে ঘুমিয়ে কাদা. জানতেও পারছেনা এপাশে কি ভয়ানক ব্যাপার ঘটছে. তারই স্বামীকে তারই মেয়ের বান্ধবী!! উহ্হঃ ভাবতে পারছিনা…. কিচ্ছু ভাবতে পারছিনা.

**************************"**

মুখ থেকে মুন্ডিটা বার করে জোরে জোরে নাড়াতে লাগলো আমার ঐটা. আর হাসিমুখে তাকিয়ে রইলো আমার দিকে. কি মিষ্টি হাসি, কি মিষ্টি মুখটা স্নেহার… কিন্তু একেবারে বিপরীত কাজে লিপ্ত সে. আহ্হ্হঃ কি লাগছে ওকে দেখতে!! ঠিক কি বলবো সেটা জানিনা.. হয়তো কিছু বিশেষণ নেই এর জন্য. আমার মেয়ের একটা ম্যাক্সি পড়েছে সে.