হাওড়া জেলার একটা ছোট কিন্তু একটা সুন্দর জায়গায় নারায়ণ পুর। গল্পের শুরু অনেক বছর আগে, তখন এলাকায় নগরায়ন সেইভাবে দেখা যায়নি। স্টেশন এলাকার কাছাকাছি হালকা হালকা করে বড় বড় বাড়ি তৈরি হতে শুরু করেছে। এরম এক জায়গায় থাকে লিপিকা তার পরিবার নিয়ে। লিপিকা দের বাড়ি টা একটা বড় ক্ষেতের কাছে তাই ওদের বাড়ির পাশে সেই ভাবে কোনে বাড়ি নেই শুধু ওর জেঠা দের বাড়ি ছাড়া আসলে ওই জমি টা ওদের মানে লিপিকা র বাবা আর জেঠা দের। লিপিকা র বাবা হাওড়া দিকে একটা বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কাজ করে তাই উনি প্রতিদিন সকাল সকাল বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় আর ফেরে সেই রাত করে আর ওর মা ওদের জমি র সব কাজ তদারকি করে আর এলাকায় একটা সমিতি তে কাজ করে এর জন্য ওদের পরিবার মোটামুটি ঠিক মত চলে যায়। লিপিকা বাড়ি একতলা পাকা বাড়ি বাড়ির সামনে দিকে ওর বাবা মা থাকে আর পিছন দিক করে লিপিকা থাকে। লিপিকা সবে মাধ্যমিক দিয়ে এগারো ক্লাসে উঠলো আগে সে মেয়েদের স্কুলে পড়তো এখন সে কো এড স্কুলে ভর্তি হয়েছে স্কুল টা ওর বাড়ি থেকে একটু দূরে তাই অনেক সময়ে ফেরার সময় লিপিকা একটা শট কাট রাস্তা ধরে এই রাস্তা একটা ধান জমির ওপর দিয়ে যায়। তো সেই দিন একটু দেরি তে ক্লাস শেষ হয়েছে তাই ফেরার সময়ে লিপিকা সেই রাস্তা ধরলো এই রাস্তা যেখানে শেষ হয় সেটা হলো সুজাতা বৌদি র বাড়ি তারপর দুটো বাড়ি টপকে বড় রাস্তা। যখন লিপিকা বৌদি র বাড়ির পাশে দিয়ে যেতে গেলো তখন একটা চিৎকার পেলো সে দাঁড়িয়ে গেলো প্রথমে ভাবলো হয় তো মনের ভুল কিন্তু যেই এগোতে যাবে তখন আবার সেই আওয়াজ আসলো আর এবার সেটা একনাগাড়ে পেতে থাকলো। লিপিকা ভাবলো মনে হয় কোনো বিপদ হলো না কি সে এগিয়ে যাবে তখন যেই আওয়াজ আসলো সেটা শুনে ওহ্ বুঝলো সেই আওয়াজ ব্যাথার না এটা সুখের কারণ এই আওয়াজ সে মাঝে মধ্যে নিজের বাবা মা র ঘর থেকে শুনতে পায়। লিপিকা ভাবলো সে চলে যাবে কিন্তু হঠাৎ তার মনে পড়লো যে সুজাতা বৌদি র বর তো এখন বাইরে এই কয়েক দিন আগে তার সাথে দেখা হলো তাহলে কে আছে ওই বাড়িতে সে নিজেকে আটকে রাখতে পারলো না সে বাড়ির পিছনে দিকে গিয়ে উকি ঝুকি দিতে লাগলো একটা ঘরের মধ্যে দেখলো সুজাতা বৌদি র বাছা ছেলে বসে বসে পড়া শুনা করেছে কিন্তু বৌদি কই। লিপিকা এবার আওয়াজ টা জোরে পেলো এটা আসছে পাশের রুম থেকে আস্তে আস্তে গিয়ে লিপিকা দেখলো জানলা বন্ধ কিন্তু জানলার তলায় একটা বড় ফুটো। লিপিকা আস্তে আস্তে চোখ ওর মধ্যে দিলো আর যা দেখলো ওর সারা গা ঘেমে উঠলো।