এটা আমার স্কুল লাইফের ক্লাস নাইনের ফাইনাল পরীক্ষার পরের ঘটনা।
সারাদিন জার্নি করে রংপুরে ছোট আপার বাসায় (আমার ছোটো মামাতো বোন, আশা আপু) এসে পৌছে দেখি এলাহি কারবার। তার শশুর-শাশুড়ী সহ আরো পাচ-ছয় জন মেহমান এসেছে গতকাল।
তার উপর আমরা মানে বাবা, মা, আরিয়ান, আমি আর পউশী। পউশী কে, সে দেখতে কেমন তা নিশ্চয়ই আর আমার পাঠকদের কাছে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে না; তবুও বলছি, আমার সবচেয়ে কাছের বান্ধবী। আমার বেস্ট ফ্রেন্ড, আমাদের এপার্টমেন্ট এই বাসা। আমাদের পরিবারের সাথে ওদের পরিবারের গভীর সম্পর্ক।
পউশী আমার সাথে একই ক্লাশে পড়ে। খুব কম মেয়েই আছে যার ফিগার দেখলে আমার হিংসা হয়, পউশী তাদের মধ্যে অন্যতম। ৫’৬’’ হাইট, ৩৬-২৮-৩৭ যার ফিগার, কাঁচা হলুদ বর্ণ। হিংসা হওয়াটা কি আমার খুব দোষ? আপনারাই বলুন।
গল্পে ফিরে আসি, আমার ছোট দুলাভাই কিছুটা লুচ্চা প্রকৃতির। মেয়েদের দিকে সব সময় লোভাতুর দৃষ্টিতে তাকায়। আমাদের বাসায় যতবার আসে ততবারই আমার উপর চান্স নিতে চায়, আমি চান্স দেই নাই। বাইরে যা করি না কেন, বাসায় আমি খুবই লাজুক, নম্র-ভদ্র মেয়ে সেজে থাকি।
তবে পউশীর সাথে একটু আধটু চান্স নিয়েছে। আপা-দুলাভাই আমাদের বাসায় আসলে পউশী তাদেরকে দেখতে আসে। দুলাভাই হিসাবে তার সাথে ঠাট্টা তামাশা করে। একবার আরিয়ানের জন্মদিন অনুষ্ঠানে দুলাভাইয়ের মুখে বার্থডে কেক এর ক্রিম মাখিয়ে পউশী পালিয়েছিল। দুলাভাইও সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। পউশীকে আমার রুমে একা পেয়ে তার বুক দুটো আচ্ছামত টিপে দিয়েছিল।
পরে পউশী আমাকে এসব কথা বলেছে। আমাকে জিঞ্জেস করেছিল আমার সাথে এসব কিছু করেছে কি না। আমি বলেছি “আমি চান্স দেই নাই”।
সে বলে “চান্স দিস না কেন? আমার তো ভালই লাগে, তোর ছোট দুলাভাইটা না দারুন জলি”।
এই জন্যই পউশী ছোট আপার বাসায় যেতে এত আগ্রহী। আমরা রংপুর যাচ্ছি শুনে সে বলল, “আমাকে নিবি তোদের সাথে?”
-“আচ্ছা- মা কে বলে দেখি। কিন্তু তোর বাসা থেকে যেতে দেবে তো”।
-“আনটি যদি বলে তবে যেতে দেবে না কেন?”
– “আচ্ছা আমি মা কে বলব তোর কথা”।
যাই হোক শেষ পর্যন্ত পউশী তার বাসা থেকে আমাদের সাথে ছোট আপার বাসায় যাওয়ার অনুমতি পেল।
রাতে খাওয়া দাওয়ার পর এখন চিন্তা শোয়া হবে কোথায়। ছোটদুলাভাই পাশের বাসায় গেল, সেই বাসায় ভদ্রলোক একা আছে, তার ফ্যামিলি গেছে কুড়িগ্রাম, বৌয়ের বাপের বাড়ি। দুলাভাই খবর নিয়ে এসেছে এই পাসের বাসায় দু-তিনজন থাকা যাবে। ঠিক হল আমি, পউশী আর ছোটদুলাভাই এই তিনজন যাব পাশের বাসায় থাকতে। সেখানে দুইটা বেডরুম আছে, একটাতে থাকব আমি আর পউশী আর আরেকটাতে থাকবেন ছোটদুলাভাই আর পাশের বাসার ভদ্রলোক।
আমাদের নিয়ে এসে পরিচয় করিয়ে দিয়ে গেলেন আপা, “এইযে ভাই, এ হচ্ছে আমার বোন নীলা আর ও হোল ওর বান্ধবি পউশী”। আর আমাদের দিকে তাকিয়ে বললেন, “ইনি হচ্ছেন আমাদের বিশেষ বন্ধু টিপু ভাই। ভাবী মানে উনার ওয়াইফ বাপের বাড়ী গেছে কিছুদিনের জন্য”।
টিপু ভাই আমাদেরকে স্বাগত জানাল, “আরে নীলা, কেমন আছ? কখন আসলে? মারুফ ভাইয়ের শালী যখন তখন আমারওতো শালী কি বল তুমি”।
মারুফ হচ্ছে ছোটদুলাভাইয়ের নাম। -“হ্যা ভালো আছি টিপু ভাই, আপনি কেমন আছেন?”
-“ভালো ভালো, আর তোমাদের মত এমন শালি যাদের আছে তারা কি আর খারাপ থাকতে পারে”।
-“টিপু ভাই, কি যে বলেন!” আমি হেসে জবাব দিলাম।
-“না না বেশি আর কি বললাম। তা খেয়ে এসেছ নাকি রান্না করবো?”
-“না না দরকার নাই, আমরা খেয়েই এসেছি”।
টিপু দুলাভাই আশা আপাকে বললেন, “আচ্ছা ভাবি, আপনি যান। ওদিকে ব্যাবস্থা করেন গিয়ে, আমি দেখছি এখানে, ওরা ওই রু্মেই থাকবে, আমি দেখিয়ে দিচ্ছি”।
আর আমাদের বললেন, “আস, তোমরা আমার সাথে”। পাশের রুমে নিয়ে গেলেন, বিছানা দেখিয়ে দিলেন।
বললেন, “তোমরা তাহলে শুয়ে পড়। অনেক লম্বা জার্নি করে এসেছ, আমরা বসে একটু টিভিতে সিরিয়ালটা দেখে শোব”।
তখন ছোটদুলাভাইও এসে এই বাসায় ঢুকলো। ছোটদুলাভাই পাশের রুম থেকে চেচিয়ে বলল, “তোমরা টিভি দেখবে নাকি?”
-“হা, আমরাও দেখবো”, বলল পউশী।
-“দেখবে, তাহলে আস দেখ”।
আমরা লিভিং রুমে গেলাম। চারজনে সোফায় বসে টিভি দেখার ফাকে ফাকে নানান আলাপ, গল্প, হাসি-তামসা হচ্ছিলো, এর মধ্যেই সকলের সাথে সম্পর্কটা বেশ সহজ হয়ে এলো, বলেই ফেললাম, “বাহ টিপু দুলাভাই, আপনি এতো সুন্দর করে কথা বলেন”
-“কথা কিআর বললাম-তোমাদের মত সুন্দরী শালী কাছে থাকলে কথা আপনা আপনি মুখ থেকে বেরিয়ে আসে। আচ্ছা তোমরা চা খাবে নাকি? লম্বা জার্নি করেছ ভালো লাগবে”
-“কে বানাবে? আপনি বানাবেন?”
-“মাথা খারাপ? দুই দুইটা শালি ঘরে থাকতে কোন বোকা চা বানিয়ে খায় বল”।
পউশী বলল, “না দুলাভাই, আমি বানিয়ে আনছি, আপনি বসেন”।
আমিও পউশীর সাথে রান্নাঘরে গেলাম। পউশী বলল, “আজ দুলাভাইদের সাথে একটু ফষ্টি-নষ্টি করব, তুই কি বলিস”।
আমি বললাম “বেশী কিছু করিস না”।
সে বলল, “তুইও করবি - দুজন দুই দুলাভাইয়ের সাথে”।
“চুপ, পউশী তুই মানুষ হবিনা। এত দুষ্ট কেন, তুই?”
চায়ের কাপ এনে দুই দুলাভাইয়ের হাতে দিলাম, ওনারা দুজনেই খুব খুশি হলেন।
টিপু দুলাভাই বললেন, “কি ব্যাপার, তোমাদেরটা?”
আমি – “না এখন চা খেলে ঘুম হবেনা আপনাদের জন্যেই বানালাম”।
টিপু দুলাভাই - “দেখ দেখি কান্ড, তোমরা খাবেনা জানলে আমরাও বাদ দিতাম”।
“চা কেমন হয়েছে দুলাভাই?” জিঞ্জেস করল পউশী।
ছোটদুলাভাই – “চা ভালই হয়েছে তবে আরও একটু দুধ হলে ভাল হত”।
আমি – “দুধ নিয়ে আসব নাকি?”
“এত বড়বড় দুধ থাকতে নিয়ে আসবে কেন?” ছোটদুলাভাই পউশীর বড় বড় স্তন দুটির দিকে তাকিয়ে বলে।
“এই দুলাভাই ভাল হচ্ছেনা কিন্ত। আপনি একটা লুচ্চা”। - হাসতে হাসতে বলে পউশী।
-“কি লুচ্চামি করলাম”।
“আপুকে বলে দেব নাকি”। - পউশী খিল খিল করে হাসে। তার হাসির চোটে বুকের ওড়না সরে যায়।
সেদিকে তাকিয়ে ছোটদুলাভাই বলে –“ইস কি সাইজ”।
“দুলাভাই, দাড়াও তোমাকে মজা দেখাচ্ছি” - বলে পউশী হাসতে হাসতে খাট থেকে নেমে দুলাভাইয়ের দিকে হাত উচিয়ে কিল মারতে যায়। ছোটদুলাভাই হাত দিয়ে পউশীর হাতটা ধরে একটা হ্যাচকা টান দেয়, ফলে পউশী ছোটদুলাভাইয়ের গায়ের উপর গিয়ে পড়ে। আর দুলাভাইও তাকে জড়িয়ে ধরে। শুরু হয় দুজনে ধস্তা ধস্তি। পউশী খিল খিল করে হাসতে হাসতে দুলাভাইয়ের হাত থেকে ছাড়া পেতে চেষ্টা করে, আর দুলাভাই আরও জোরে তাকে জড়িয়ে ধরে। আমি আর টিপু দুলাভাই তাদের কান্ড দেখে হাসতে থাকি।
একসময় দেখি ছোটদুলাভাই পউশীর বুক দুইটা দুই হাতের মুঠিতে নিয়ে টিপতে শুরু করেছে। আর পউশী খিলখিল করে হাসছে আর – “এই দুলাভাই কি করছেন, ছাড়ুন ছাড়ুন” বলে চেচাচ্ছে।
তা দেখে টিপু দুলাভাই ছোটদুলাভাইকে বলল, “আপনিতো ভাই একা একা সব মজা লুটে নিচ্ছেন”।
ছোটদুলাভাই বলল –“আপনি বসে আছেন কেন, আপনার পাশে আরেকটা শালী আছে না? ওর ওতো একটা পুরুষ দরকার। না কি?”
আমি “না না” বলে চেচিয়ে উঠলাম। “আমার এসবের দরকার নেই”।
কিন্তু টিপুদুলাভাই আমার পাশে বসে আমাকে জড়িয়ে ধরল। পুরুষ স্পর্শে আমার শরীর শিহরিত হয়ে উঠল। আমি দুচোখ বন্ধ করে ফেললাম। টিপুদুলাভাইয়ের হাত আমার শরীরের এখানে ওখানে ঘুরে বেড়াতে লাগল। তার হাতের স্পর্শ আমার ভালই লাগছিল। তবুও আমি আমার শরীর মুচড়াতে লাগলাম যেন তার হাত ছাড়াবার চেষ্টা করছি।
হঠাৎ পউশীর কন্ঠে “আঃ আহহহ” ধ্বনি শুনে ওদের দিকে তাকিয়ে দেখি পউশী সোফায় হেলান দিয়ে শুয়ে আছে, তার কামিজটা গলা পর্যন্ত উঠানো, ভিতরে ব্রা পড়েনি, বুক দুইটা সম্পুর্ণ উদোম আর ছোটদুলাভাই তার একটা দুধ মুখ লাগিয়ে চুষছে আর একটাকে হাত দিয়ে টিপছে। আর পউশী আরামে চোখ বুজে মুখে আঃ-আঃ-শব্দ করছে।
টিপুদুলাভাই জিঞ্জেস করল, “চা’য়ে যে দুধ কম হয়েছিল সেটা খেয়ে পুষিয়ে নিচ্ছেন নাকি ভাই”।
“একেবারে ষোলআনা থেকে আঠারো আনা পুষিয়ে নিচ্ছি। আমারতো দুধ খাওয়া হল, পউশী মনে হয় একটু কলা খেতে চায়”। বলল ছোট দুলাভাই।
পউশী চেচিয়ে উঠল –“না না আমার কলা খাওয়া লাগবেনা”।
ছোটদুলাভাই একটানে পউশীর পাজামার ফিতাটা খুলে পাজামাটা নিচের দিকে নামাতে গেল। পউশী খিলখিল করে হাসতে হাসতে হাত দিয়ে ওটা ধরে বলল, “এই এখানে না। আমার লজ্জা লাগবেনা বুঝি”।
“তাহলে ঐ বেডরুমে চল” - বলে ছোটদুলাভাই পউশীর দুই হাটুর নিচে এক হাত আর পিঠের নিচে এক হাত ঢুকিয়ে তাকে পাজাকোলা করে তুলে বেডরুমের দিকে যেতে শুরু করল। আর পউশী – “এই কি করছেন, ছাড়ুন, ছাড়ুন, আমাকে” - বলে হাত পা ছুড়তে লাগল।
ওরা বেডরুমে চলে গেলে টিপুদুলাভাই আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল, “চল আমরাও যাই”। বলে আমাকে উঠিয়ে নিয়ে এল আরেকটা বেড রুমে। বিছানার উপর দুজন পাশাপাশি বসলাম।
এবারে আর রাখ ঢাক নয় সরাসরি ঘাড়ের পিছনে হাত দিয়ে কামিজের চেইন এক টানে খুলে ফেলে গলা দিয়ে হাত ভিতরে ঢুকিয়ে দিলেন, দুটা দুধ একসাথে টিপতে শুরু করলেন টিপুদুলাভাই বললেন – “তোমার দুধতো বেশ সুন্দর! আমিতো আগে খেয়াল করিনি”। তিনি দুহাতে দুধ দুটি টিপতে লাগলেন।
আহা সে যে কি এক অনুভুতি, শিহরন লজ্জা ভয় সব কিছু মেশানো একটা আলাদা অনুভুতি। কামিজটা খুলে ফেলে এক হাতে দুধ টিপছেন, টিপছেন বললে ভুল হবে কত দিনের উপোসি কে জানে বউতো অনেকদিন হয় বাপের বাড়ী তাই শোধ করছেন ক্ষুধার্ত বাঘের মত। অন্য দুধের বোটা মুখে ভরে চুষতে লাগলেন এবারে আরেকটা অদল বদল করে অনেকক্ষন ধরে চুষলেন টিপলেন। -“কি করছেন দুলাভাই, আমার ভয় হচ্ছে”।
“দাড়াও দেখাচ্ছি সব ভয় দূর হয়ে যাবে”। চট করে উঠে দাড়িয়ে কোন রকম পেচিয়ে থাকা লুঙ্গিটা খুলে ফেললেন তারপর গায়ের জামাটাও, একেবারে নেংটা হয়ে গেলেন টিপুদুলাভাই, আমি কল্পনাও করতে পারিনাই যে এই লোককে এই বেশে দেখবো। সাথে সাথে আমি চোখ বন্ধ করে ফেললাম।
-“আহা চোখ বন্ধ করলে কেন, তাকাওনা। তাকিয়ে দেখ তোমার জন্যে আজ আমি সব দিয়ে দিব, আমার যা আছে সব দিব, তুমি না দেখলে কেমন হয়। দেখ সোনা দেখ”, চুমুর পর চুমু খেয়ে নাকে নাক ঘষে জোর করে চোখ খুলে দিলেন ওমা একি! টিপুদুলাভাইয়ের বাড়াটা সটান দাড়িয়ে আছে।
“ধরবে একটু? নাও ধরে দেখ” - বলেই আমার ডান হাতটা নিয়ে বাড়া ধরিয়ে দিলেন আমি সম্মোহিতের মত ধরে রইলাম।
“ধরে বসে থাকলে হবে, আরো কত কাজ আছে না। তোমাকে আজ একটা নতুন খেলা শেখাবো, দেখ ভালো করে দেখ টিপে দেখ, এটা দিয়েই খেলতে হবে এটাতো একটা খেলনা”।
টিপে দেখবো কি, এতো বিশাল এক লৌহ দন্ড। আগুনের মত গরম, মাথার গড়নটা হাসের ডিমের মত, গোড়ায় কাল লোমের মধ্যে মনে হচ্ছে গভির অরন্যের মধ্যে একটা কামান দাঁড়ানো রয়েছে নিচে একটা গোলাবারুদের ঝুলি ঝুলছে।
বাড়াটা দুই দুধের মাঝখানে চেপে ধরলেন। এবারে সেখান থেকে ছাড়িয়ে ঝট করে বাড়ার মাথাটা আমার গালে ছোয়ালেন। এবারে আমার মাথা ধরে বাড়ার গোড়ায় যেখানে সেই গভির অরন্য সেখানে মুখ চেপে ধরলেন। আহ, কেমন যেন নেশা ধরিয়ে দিল। ছাড়াতে পারছিনা নিজেকে, লোমগুলি সারা গালে ঠোটে নাকে ঘষা লাগছে। উনিও কোমড় দুলিয়ে দুলিয়ে কি সুন্দর করে আমার সারা মুখ চোখ নাক ঠোট কপালে ছুইয়ে দিচ্ছিলেন।
কোন রকম ছাড়িয়ে নিয়ে বললাম, “দুলাভাই, প্লিজ আমার ভয় হচ্ছে। আমি যাই, ছেড়ে দেন”।
-“আরে বোকা মেয়ে এখন খেলা শেষ না করে কি যেতে পারবে”।
-“পউশী এসে দেখে ফেললে কি হবে”।
-“আরে দেখবে কি ওরাও তো এসবই করছে”।
-“আচ্ছা আমি দেখে আসি”।
-“চল”।
আমরা দুজন অন্য বেডরুমটার সামনে এসে দাড়ালাম। দরজা একটু চাপ দিতেই ফাক হয়ে গেল...। ভিতরে তাকিয়ে দেখি পউশী আর ছোটদুলাভাই সম্পুর্ণ নগ্ন। ছোট দুলাভাই পউশীর উপরে শুয়ে তার বড় বড় দুধ দুটি চুষছে...।
এদিকে টিপু দুলাভাই ওখানে দাড়িয়েই আমার বুক টিপতে লাগল... আর বলল, “চল, দেখছ তো তোমার বান্ধবী কতো ব্যস্ত আছে, আমরা এবার যাই”।
এরপরে কি হল, জানতে হলে চোখ রাখুন পরের পর্বে ......