ঢাকা শহরে এমন বাসা ভাড়া পাওয়া বিরল।বড় উঠান, সারিবদ্ধ দুই কিনারে দশটা দশটা মোট বিশটা ফ্লাট। মানে বিশটা পরিবার। সূর্য তখন ক্লাশ ফাইভে উঠল বটে যখন এ বাসায় প্রথম এসেছিলো। বাবা মায়ের বড় ছেলে এবং একমাত্র। আর কোন ভাইবোন নেই, মানে আপন ভাইবোন নেই। ছোটবেলা থেকেই সূর্য একটু ঘরকুনো। বাইরে কম বের হয়, বন্ধুবান্ধব ও কম। শহরের এক কোনে বাসা। বাসা থেকে স্কুল খেলার মাঠ খুব বেশি দূরে নয়, যৌথ ফ্যামিলি। আপন ভাইবোন না থাকলেও পুরো বাসাটাই ছিলো একটা পরিবার। অনেক অনেক প্রতিবেশী, অনেক অনেক খেলার বন্ধু, তবে প্রায় সবি মেয়ে বন্ধু। সূর্য তার মায়ের সংগে এক রুমের একটা ফ্লাটে থাকে, বাবা দেশের বাইরে কাজ করে, বছরে একবার আসে। আরেক ফ্লাটে থাকে নানা, নানি, ২ খালা (সেজো, ছোট খালা অবিবাহিত) এবং ছোট মামা পাশাপাশি ২টি রুম নিয়ে থাকে। প্রতিটি রুমের সাথে একটি খাট রাখা যায় এমন বারান্দা আছে। মেজো খালা আর খালু আবার তার দুই মেয়ে মানে সুর্যের খালাতো বোনদের নিয়ে আরেক ফ্লাটে থাকেন। মানে পুরো দস্তুর শহুরে যৌথ পরিবার। এই তিন পরিবার ছাড়াও প্রতিবেশী পরিবার আছে আরো প্রায় ১০-১৫টি। অনেক খেলার সাথি। এ বাসাতেই তার ছোটবেলা কাটে, যদিও এখন আর সে নিজেকে ছোট বলতে রাজি নয়। গতবছর ১৮ তে পরল অবশেষে, মহা কিউরিওসিটি সবকিছুর প্রতি। ওর মা সাব্রিনা টের পায় ছেলে বড় হচ্ছে, মেয়েদের শরীরের উপর একটা আগ্রহ বারছে। সুজোগ পেলেই খালাদের দিকে কেমন কেমন করে তাকায়। আর সনি, মনিও ... দিন দিন শরীরটাকে যা বানাচ্ছে না!! কদিন বাদে দেখা যাবে পারার সব অল্পবয়সী পুলাপান আমাদের বাড়ির গেটে বসে থাকবে ওদের দেখার জন্যে। সুর্যের আর দোষ কি, বড় হতে হতে ঠিক হয়ে যাবে, এ বয়সে চোখ একটু এদিক ওদিক যায়ই। মনের অজান্তেই এসব হাবিজাবি ভাবতে ভাবতে সুর্যের মা ওকে জরিয়ে ধরে ঘুমাতে যায়। এখনো মাথায় হাত না বুলালে ছেলের ঘুম আসে না। "এইযে মা, আমি কিন্তু এখন আর বাচ্চা ছেলে নই, আমি এখন পুরোস্তুর এডাল্ট টিনেজার।" সুর্জ হঠাৎ কথা বলে উঠল। সাব্রিনা চমকে উঠে ছেলের দিকে তাকিয়ে বলে "কিরে তুই এখনো ঘুমাসনি?, দুস্ট ছেলে কোথাকার, তুইকি এখন মনের কথা পরতে পারিস নাকি, আমি তো মনে মনে আওরাচ্ছিলাম"
৩৮ বছর বয়সী সাব্রিনা ছেলে সুর্যকে আরো কাছে টেনে নেয়। ছেলের মাথাটাকে তার দুই বুকের মাঝখানে গুজে দেয়।
সুর্জ রাগের ভান ধরে, "উহু, আগে বলো মা..আমি এখন আর তোমার ছোট বাবু নই" "হুম্ম খুব বড় হয়েছিস না!! কয়টা গার্ল্ফ্রেন্ড হয়েছে বলতো শুনি" "তুমি না মা... যাও ঘুম পারাতে হবে না" সুর্য অভিমানের ভান করে মায়ের দিকে পিছন ফিরে শোয়। ছেলের অভিমান ভাংাতে সাব্রিনা আরো দুস্টুমির আশ্রয় বেছে নেয়। তার বালিশের মতো বুক দুটো দিয়ে সুর্যের পিঠে ঘস্তে ঘস্তে বলে, "উলে আমার ছোট বাবুলে... "
-আচ্ছা বলতো বাবু, তোর কি ছোটখালা সনিকে বেশি ভালো লাগে নাকি সেজোখালা মনিকে বেশি ভালো লাগে।
-মনি খালাকে বেশি ভালো লাগে, হঠাত একথা জিগেস করছো যে মা?
-এক কথায় কিভাবে বলে দিলি বাবু? সনি কি তোকে কম আদর করে!! ওরা দুজনি তোকে কোলে পিঠে করে এতো বড় করেছে।
সুর্য একটু লজ্জা পেয়ে গেলো, ও আসলে এতো চিন্তা করে বলেনি। হঠাত মনে এসেছে তাই বলে দিয়েছে। আচ্ছা মনি আন্টির কথাই মাথায় আসলো কেন! মনি খালার বয়স মনে হয় ৩২ হবে, আর সনি খালা ২৮। মনি খালার মদ্ধে একটা মা মা ভাব আছে, তাই মাঝে মাঝে মামনি খালা ডাকি আমি আদর করে। শরীরে একটু মেদ মেদ আছে, ওরনা গলায় দিয়ে রাখে মাঝে মাঝে, বিশেষ করে যখন ঘরের কাজ করে। আর মনি খালা পারেও মাগো... এতো কাজ করতে পারে মামনি টা। মনি খালার বিয়ে হয়ে গেলে নানা নানি যে কি বিপদে পরবে। ধুর ছাই কিসব হাবিজাবি চিন্তা করছি এসব... ভাবতে ভাবতেই সুর্য আচমকা বাস্তবে ফিরে আসে। সাব্রিনা এখনো ছেলের সাথে বাহাস করার চেস্টা করছে দুই খালাকেই কেন সমান চোখে দেখে না
-সনি তো তোর থেকে খুব বেশি বড় না, তোর বন্ধুর মতই অনেকটা, তোরা ছোটবেলায় একসাথে খেলেছিস, তাইলে তোর মনিকেই কেনো বেশি ভালো লাগে?
-সনি আন্টির সাথে আমি খেলি, সে আমার বন্ধুর মতন তা ঠিকাছে, কিন্তু মনি খালা আমাকে অনেক কোলে নেয়, জরায় ধরে, তুমিতো অসুস্থ ছিলে, খালি জন্ম দিয়েই খালাদের কাছে দিয়ে দিয়েছো। মনি খালা হচ্ছে আমার আরেক মামনি তাই!!
এভাবে মা ছেলের খুন্সুটিতে চলতে চলতে দুজন ঘুমিয়ে যায়
------------------
সুর্জের স্কুলের পরীক্ষার সিজন শুরু হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে হঠাত সুর্যের বাবা ফোন দিয়ে বল্লো সে বিদেশ থেকে ছুটিতে আসছেন দেশে। এসেও পরলেন ধপ করে একদিন, আমরা এয়ারপোর্টে গেলাম বাবাকে রিসিভ করতে। ওর বাবার নাম আলম হোসেন। ছেলেকে দেখে শুধু একটি বাক্যই বললেন
- সুর্য তুমিতো অনেক বড় হয়ে গেছো দেখি
- থ্যানকু বাবা
অল্প কথায় উত্তর দেয় সুর্য। বাসায় আসার পথে সুর্য গাড়ির সাম্নের ড্রাইভারের পাশের সিটে বসে আর বাবা মা পিছনের সিটে। বাবা ছেলের মধ্যে কেমস্ট্রি কম, তাই বেশি কথোপকথন না হলেও পেছনের সিটে বসে সুর্যের বাবা আলম হোসেন বউকে এতোদিন পরে কাছে পেয়ে জরিয়ে ধরার সুজোগ খুজছেন শুধু। সুর্য না বোঝার ভান করে আরচোখে সামনের মিররটা দিয়ে দেখার চেষ্টা করছিলো। কি করে তারা। মায়ের ফিস ফিস শব্দও শুনছিলো কিছু
"এই সুর্য আছে সামনে" "আরে কিছু হবে না, ও এখন বড় হয়েছে না" "উফফ তুমি পারোও আলম"
ফিস ফিস করে করতে বাবা মাকে কচলাতে লাগ্লো, ছেলে যে সাম্নের সিটে বসে আছে কোন খেয়াল ই নাই। লোকটার কি সরম গরম নাই!! আর মা ও.. বাবাকে পেলে এতো অল্প বয়সী আচরণ করে, আমারি লজ্জা লাগে। একটু রাগও লাগে, আমার ভালো মা টাকে খারাপ রুপে দেখতে..
এক ঘন্টা সময় লাগ্লো বাসায় আস্তে এয়ারপোর্ট থেকে। রাত ৯.৩০ টার দিকে। রাতের খাবার দাবার খেয়ে সুর্যের বাবা মা একরুমে শুয়ে পরলেন। যেহেতু বাবা এসেছেন এই কারনে ছেলের আজকে আর মায়ের সাথে থাকা সম্ভব না। ঠিকহলো আজকে বাবা মার শোবার ঘরের পাশের রুমে নানা নানির সংগে থাকবে সুর্য। আরেক পাশের রুমে সনি আর মনি খালা ঘুমাবে। আরেক রুমে ছোট মামা।
এখান থেকেই শুরু হয় সুর্যের জীবনের নতুন এক অধ্যায়, যৌনতায় ভরা এক অধ্যায়
--------------------------
পুরো ঘুমিয়েই গিয়েছিলাম, হঠাত কিসের আওয়াজে যেন কাচা ঘুমটা ভেংগে গেলো। ডিম লাইট জালানো, আমি লেপের নিচে, ঘোর অন্ধকার। কি হচ্ছিলো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। ধাতস্থ হতে একটু সময় লাগছিলো। মনে পরলো আজকে তো আমি মার সাথে নাই, নানা ভাই, নানু আপুর রুমে শুয়ে আছি। কেমন যেন একটা কান্না গোংগানির মতো শব্দ পাচ্ছি, মাঝে মাঝে বিছানা একটু কেপে কেপে উঠছে। চোখে হাল্কা আলো সয়ে জাওয়ার পর লেপের নিচে ডান পাশে তাকিয়ে দেখি নানার লোমে ভরা পা নানির ফর্সা পায়ের উপর ঘসাঘসি করছে। শীতের কারনে আমার মাথা সহ লেপের নিচে, নিবু নিবু আলোতে তাকিয়ে যে দৃশ্য আমি দেখলাম এটার জন্যে মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না। আপন নাতিকে পাশে রেখে নানা নানি এভাবে লীলা করবে এটা অন্তত আমার মাথায় আসেনি। সুর্য হোসেনের ৫৫+ বছরের নানা এবং নানি
---------------------------
আপডেট আসছে
পরের পর্বে...
সুর্যের হাতে পরা ঘরিটাতে রেডিয়াম জালানো যায়, এতে খুব বেশি আলো হয় না তবে ঘড়ির সময়টা পরা যায়, আর ক্লোসড জায়গায় ঘোর অন্ধকারে হাল্কা দেখা যায়। লেপের নিচে থেকেই সুর্য ঘরির দিকে তাকিয়ে দেখে রাত ২.১৭ বাজে। রেডিয়ামের আলোতে লেপের নিচে মোটামুটি ভালোই দেখা যাচ্ছে এখন। ভাগ্যিস নানা নানির দুজনেরি মাথা লেপের উপরে, তারা হয়তো জানেও না যে আমার ঘুম ভেংগে গেছে। তাদের তৈরি করা আওয়াজে। তারা হয়তো ভাবছে বাবু লেপের নিচে আরাম করে ঘুমাচ্ছে। এই সুজোগে সুর্য তার হাতে পরা ঘরির রেডিয়ামের আলোতে তার আপন নানা নানির নগ্ন পায়ের ঘসাঘসি দেখে। তার চোখকে বিশ্বাস করতে পারে না। নানার লোমে ভরা পা নানির ফর্সা থপথপে নগ্ন পায়ের উপরে সমানে ঘসছে। কি করছে তারা, সুর্য আরেকটু মনোযোগ দিয়ে দেখার চেষ্টা করে। এরে মা... নানা তো দেখি লিটারালি নানির উপরে শুয়ে আছে। মাদারচোদ গুলাকি জানে না যে নাতি শুয়ে তাদের পাশে...